Top 10 Most Beautiful Bangladesh Women

Top 10 Most Beautiful Bangladesh Women

শীর্ষ 10 সর্বাধিক সুন্দর বাংলাদেশী মহিলা

 

10. Nusraat Faria Mazhar (নুসরাত ফারিয়া)

নুসরাত ফারিয়া মাজহার (জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩) হলেন বাংলাদেশের একজন উপস্থাপক এবং মডেল। বিজ্ঞাপনচিত্রে গ্লামারাস হিসেবে উপস্থিতি এবং ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার কারণে তিনি পরিচিত। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার আশিকী চলচ্চিত্র দিয়ে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবীন অভিনয়শিল্পী বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন।

নুসরাত ফারিয়া মাজহার ১৯৯৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে জন্ম নেন।[তার শৈশব কেটেছে ঢাকার আর্মি ক্যান্টনমেন্টে; বর্তমানেও সেখানেই বসবাস করছেন। তার দাদা একজন সেনা কর্মকর্তা হওয়ায় ঢাকা সেনানিবাসে তাদের বসবাস।ফারিয়া ২০২০ সালে রনী রিয়াদ রাশিদকে বিয়ে করেন।

অভিনেত্রী মাহিয়া মাহীর সঙ্গে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সম্পর্কের অবনতি ঘটলে, জাজ মাল্টিমিডিয়া তাদের নতুন নায়িকা হিসেবে নুসরাত ফারিয়াকে সবার সামনে তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র প্রেমী ও প্রেমীর অভিনেত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। তবে প্রেমী ও প্রেমীই নুসরাত ফারিয়ার প্রথম চলচ্চিত্র নয়। ২০১৪ সালে রেদওয়ান রনি পরিচালিত মরীচিকা চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন নুসরাত ফারিয়া, কিন্তু অজ্ঞাত কারণে চলচ্চিত্রটির কাজ শুরু হয়নি। বরং কিছুদিন পরে চলচ্চিত্রে নাম এবং পাত্র-পাত্রী বদল করে রেদওয়ান রনি নতুন চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করেন।

9. Tanjin Tisha (তানজিন তিশা)

তানজিন তিশা একজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী, মডেল এবং টেলিভিশন উপস্থাপিকা। তিনি টেলিভিশন নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। ইউ-টার্ন নাটকে অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা নবীন অভিনয়শিল্পী বিভাগে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯৩ সালের ২৩ মে তানজিন তিশা ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আবুল কালাম ও মা ছালমা বেগম। মতিঝিল আইডিয়াল গার্লস স্কুল থেকে তিনি মাধ্যমিক পাশ করে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন।

ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প মডেলিংয়ের মাধ্যমে তিশার কর্মজীবন শুরু হয়। তিশা প্রথম মডেল হন অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত রবির একটি বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে। এটি তার ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল। ২০১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিশা ট্রেসমি ফ্যাশন শোতে র‍্যাম্প মডেলিং করেছিলেন।

তিশা ২০১২ সালে ইউটিউবে প্রচারিত রিজভি ওয়াহিদ এবং শুভমিতার গাওয়া চোখেরি পলকে মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে তারকা খ্যাতি পান। তিশার অভিনীত এই গানটি ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। তিনি ইমরান মাহমুদুল এর গান বলতে বলতে চলতে চলতে গানটির মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছিলেন। যেটি ইউটিউবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

8. Jannatul Ferdous Oishee (জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী)

জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী হচ্ছেন বাংলাদেশের একজন মডেল, অভিনেত্রী এবং সুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস বাংলাদেশ ২০১৮-এর মুকুটধারী। তিনি ৮ ই ডিসেম্বর ২০১৮ সালে চীনের সানইয়ায় অনুষ্ঠিত মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৮-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং ১১৮ প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে শীর্ষ ৩০-এ স্থান পান।

7. Mehazabien Chowdhury (মেহজাবিন চৌধুরী)

 

মেহজাবিন চৌধুরী (জন্ম: ১৯ এপ্রিল ১৯৯১) বাংলাদেশের একজন মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি ২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

মেহজাবিনের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামে। শৈশবে বেড়ে উঠেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে। মেহজাবিন শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ডিজাইনিং এর ছাত্রী ছিলেন। ও লেভেলে পড়াশুনা করার সময় তিনি লাক্স সুন্দরী নির্বাচিত হন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।

লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৯’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মেহজাবিন অভিনীত প্রথম নাটক ছিল ইফতেখার আহমেদ ফাহমি পরিচালিত ‘তুমি থাকো সিন্ধুপারে’। এ নাটকে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ। এরপর তিনি একে একে কাজ করেন ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’, ‘কল সেন্টার’, ‘মেয়ে শুধু তোমার জন্য’, ‘আজও ভালোবাসি মনে মনে’, ‘হাসো আন লিমিটেডসহ’ বেশকিছু নাটকে।

২০১৩ তে শিখর শাহনিয়াত পরিচালিত নাটক ‘অপেক্ষার ফটোগ্রাফি’ ছিল মেহজাবীন এর জন্য বড় একটি টার্নিং পয়েন্ট। ঈদুল আযহা ২০১৭-এ মিজানুর রহমান আরিয়ানের পরিচালনায় বড় ছেলে’তে অভিনয় করে আবারও শীর্ষে চলে আসেন এই অভিনেত্রী। দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয় মেহজাবীন ও জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনীত এই নাটকটি। ২০২০ সালে এই অভিনেত্রী নাম লিখিয়েছেন গল্পকার হিসেবে।‘থার্ড আই’ তার লেখা প্রথম নাটকের গল্প।

6. Bidya Sinha Saha Mim (বিদ্যা সিনহা সাহা মীম)

বিদ্যা সিনহা সাহা মীম (জন্ম: ১০ নভেম্বর, ১৯৯২) হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী। লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭ প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম-স্থান লাভ করেন। একই বছরে হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত আমার আছে জল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচিত্রে অভিষেক হয়। জোনাকির আলো  চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মৌসুমীর সাথে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেন।

হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত আমার আছে জল চলচ্চিত্রে অসাধারন অভিনয় করে মীম সবার নজরে আসেন। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ সমালোচকদের বিচারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীর পুরস্কার লাভ করেন। পরের বছর ২০০৯ সালে মীম অভিনয় করেন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত আমার প্রাণের প্রিয়া ছায়াছবিতে। যাতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাকিব খান। এই ছায়াছবির জন্য তিনি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীর পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। এর সাথে সাথে মীম ছোট পর্দায় বেশ কিছু নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করেন।

5. Moushumi (মৌসুমী)

আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী (জন্ম: ৩ নভেম্বর, ১৯৭৩) যিনি মৌসুমী নামে অধিক পরিচিত একজন বাংলাদেশী জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। মৌসুমী অভিনীত প্রথম ছায়াছবি কেয়ামত থেকে কেয়ামত। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ছোট পর্দার বেশ কিছু নাটক ও বিজ্ঞাপন চিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এছাড়া ২০০৩ সালের চলচ্চিত্র কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি পরিচালনার মাধ্যমে একজন পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। মৌসুমীর নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও আছে। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়াও অর্জন করেন একাধিক বাচসাস পুরস্কার ৬ বার ও মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার।

মৌসুমী ১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মৌসুমীর বাবার নাম নাজমুজ্জামান মনি এবং মায়ের নাম শামীমা আখতার জামান। ছোটবেলা থেকেই একজন অভিনেত্রী এবং গায়িকা হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি “আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট” প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন, যার উপর ভিত্তি করে তিনি ১৯৯০ সালে টেলিভিশনের বাণিজ্যিকধারার বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হন।

4. Jaya Ahsan(জয়া আহসান)

জয়া আহসান (বা জয়া মাসউদ) হলেন একজন বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রেও কাজ করেন। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ছয়টি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ও তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পূর্বসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন।

তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ব্যাচেলর (২০০৪)। তিনি নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সৈয়দ শামসুল হক’র নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত গেরিলা চলচ্চিত্রে বিলকিস বানু চরিত্রে এবং রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি চলচ্চিত্রে সাংবাদিক নবনী আফরোজ চরিত্রে অভিনয় করে টানা দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এরপর তিনি অনিমেষ আইচ পরিচালিত জিরো ডিগ্রী (২০১৫) ও অনম বিশ্বাস পরিচালিত দেবী চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে আরও দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

জয়া আহসান জন্মগ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ জেলায়। তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। তারা দুই বোন এক ভাই। অভিনয় শুরুর আগে জয়া নাচ ও গানের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি ছবি আঁকা শিখেছিলেন। তিনি একটি সংগীত স্কুলও পরিচালনা করেন।

3.Zakia Bari Mamo(জাকিয়া বারী মম)

জাকিয়া বারী মম (জন্মঃ ১৯ ডিসেম্বর ১৯৮৫) একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী এবং মডেল। তিনি ২০০৬ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেন। ২০০৭ সালে তৌকির আহমেদ পরিচালিত দারুচিনি দ্বীপ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে তার আবির্ভাব ঘটে।

এই চলচ্চিত্রের তার কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ২০১৫ সালে ছুঁয়ে দিলে মন ছবিতে অভিনয় করে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের দর্শক জরিপ ও সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকেও কাজ করেছেন।

মম ১৯৮৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মজিবুল বারী ও মা আয়েশা আক্তার। তার শৈশব কাটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গনে নাচ শিখেন কবিরুল ইসলাম রতনের কাছে। প্রথম টেলিভিশনে আবির্ভূত হন ১৯৯৫ সালে। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুড়ি প্রতিযোগিতায় পুরস্কার লাভ করেন। এরপর ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাট্য এবং নাট্যতত্ত্ব বিভাগে ২০১০ সালে স্নাতক আর ২০১২ সালে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।

মম ২০১০ সালের ৩১ মার্চ চিত্রনাট্যকার এজাজ মুন্নাকে বিয়ে করেন। ২০১৩ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। ২০১১ সালের ২ মার্চ এই দম্পতির একমাত্র ছেলে উদ্ভাস জন্মগ্রহণ করে। ২০১৫ সালের ২০ নভেম্বর তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক শিহাব শাহীনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

2. Pori Moni (পরীমনি)

শামসুন্নাহার স্মৃতি (জন্ম ২৪ অক্টোবর ১৯৯২), যিনি পরীমনি নামে অধিক পরিচিত, হলেন একজন বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী। ২০১৫ সালে ভালোবাসা সীমাহীন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। রানা প্লাজা (২০১৫) ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল প্রণয়ধর্মী আরো ভালোবাসবো তোমায়, লোককাহিনী নির্ভর মহুয়া সুন্দরী, এবং অ্যাকশনধর্মী রক্ত

পরীমনি সাতক্ষীরা জেলায় ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মকালে তাঁর নাম রাখা হয় শামসুন্নাহার স্মৃতি। ছোটবেলায় মা সালমা সুলতানাকে ও বাবাকে হারানোর পর পরীমনি বড় হয়েছেন পিরোজপুরে নানা শামসুল হক গাজীর কাছে। এসএসসি পর্যন্ত বরিশালেই পড়াশোনা করেছেন। সেখান থেকেই তিনি তাঁর মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করেন। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। ২০১১ সালে ঢাকায় চলে আসেন এবং বাফায় নাচ শেখেন।

পরীমনি মডেলিং এর মাধ্যমে তার কর্ম জীবন শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন নৃত্যানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং টিভি নাটকে অভিনয় করেন। তিনি মডেলিং থেকে ছোটপর্দায় এবং তারপর রূপালী পর্দায় অভিনয় শুরু করেন পরীমনি। অভিনয় জীবন শুরু করেন টিভি নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে।

তিনি সেকেন্ড ইনিংস, এক্সক্লুসিভ, এক্সট্রা ব্যাচেলর, নারী ও নবনীতা তোমার জন্য এ চারটি ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছেন। এর মধ্যে জাকারিয়া সৌখিন রচিত নারী ও নবনীতা তোমার জন্য নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন পরীমনি। এতে চিত্রনায়ক আমিন খান, চিত্রনায়িকা পপি এবং ঈশানাও অভিনয় করেছিলেন। প্রথম অভিনীত নাটকেই তিনি ইলিয়াস কাঞ্চন এবং চম্পার সাথে অভিনয় করেন।

1. Purnima (পূর্ণিমা)

দিলারা হানিফ রীতা (জন্ম: ১১ জুলাই, ১৯৮১) একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র জগতে পূর্ণিমা নামে তিনি অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয়। পূর্ণিমার চলচ্চিত্র জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমার ছবির মাধ্যমে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

পূর্ণিমা অভিনীত জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে এফ আই মানিক পরিচালিত অপরাধ-নাট্যধর্মী লাল দরিয়া (২০০২), মতিউর রহমান পানু পরিচালিত প্রণয়ধর্মী মনের মাঝে তুমি (২০০৩), চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত যুদ্ধভিত্তিক মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) ও নাট্যধর্মী সুভা, এবং এস এ হক অলিক পরিচালিত প্রণয়ধর্মী হৃদয়ের কথা (২০০৬) ও আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা (২০০৮)। চলচ্চিত্রে পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় রিয়াজের বিপরীতে। রিয়াজের বিপরীতেই ২৫টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

 

Top 10 Male Actors in Bangladesh

Top 10 Most Beautiful Bangladesh Women

About toptenlistbd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *